রেজাউল করিম :
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় অবাধ, সুষ্টু, নিরপেক্ষ এবং শান্তিপূর্ন একটি নির্বাচন উপহার দিয়ে ভুয়সী প্রশংসা কুড়িয়েছেন পুলিশের ভেড়ামারা সার্কেলের এএসপি মহসীন আল মুরাদ, ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ জহুরুল ইসলাম এবং অফিসার ইনচার্জ তদন্ত শেখ লুৎফর রহমান। নির্বাচনোত্তর সহিংসতায় যাতে না ঘটে সেদিকেও কঠোর নজরদারী থাকায় কোন অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটেনি উল্লেখিত সময়ে।
গত ৭ জানুয়ারী সারাদেশের ন্যায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ভেড়ামারা উপজেলাতেও। এটি সংসদীয় আসন-৭৬। মিরপুর এবং ভেড়ামারা এই দুটি উপজেলা নিয়ে কুষ্টিয়া-২ আসন। ১টি পৌরসভা এবং ৬টি উপজেলায় মোট ভোটার ছিল ১ লক্ষ ৭৫ হাজার ৬’শ ৪৭ জন। ৫০ টি কেন্দ্রে থেকে সুষ্টু ভাবে ভোট গ্রহন করেন দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তারা। ভোট কেন্দ্র পাহারা, কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিরাপত্তা দেওয়া, ব্যালট কেন্দ্রে পৌছানো এবং পুরো নির্বাচনকালীন সময়ে নিরপত্তার দায়িত্ব পালন করে ভেড়ামারা পুলিশ। কুষ্টিয়ার সুযোগ্য পুলিশ সুপার এ এইচ এম আব্দুর রকিব’র দৃঢ় নেতৃত্বে ভেড়ামারা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহসীন আল মুরাদ পুলিশ বাহিনীর ভেড়ামারার নেতৃত্ব দেন। পুলিশ বাহিনীকে একাধিক ভাগে বিভক্ত করে শতভাগ কাজ আদায় করে নেন ভেড়ামারা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোঃ জহিরুল ইসলাম এবং অফিসার ইনচার্জ তদন্ত শেখ লুৎফর রহমান।
হেভিওয়েট প্রার্থীর এ আসনে নির্বাচনী যুদ্ধে নামে স্থানীয় আওয়ামীলীগ। মঞ্চে গরম গরম বক্তব্যে উভয় প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের মাঝে বারংবার সংঘর্ষ’র মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হলেও পুলিশের কঠোর নজরদারী আর হস্তক্ষেপে নির্বাচন জুড়েই পরিবেশ ছিল শান্ত। আবার নির্বাচনোত্তর সহিংসতাও রুখে দিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। সব মিলিয়ে উৎসবমুখর একটি শান্তিপূর্ন নির্বাচন উপহার দেওয়ায় ভেড়ামারার সর্বমহলে ভুয়সী প্রশাংসা কুড়িয়েছেন পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।